Stubble burning (নাড়া পোড়া)

 

বারবার আবেদেন নিবেদন, নীতি নিয়ম, জরিমানা এবং শাস্তির নানা বিধান সত্ত্বেও, নাড়া পোড়ানো বন্ধ করা যাচ্ছে না। এ বছর পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং দিল্লি সহ ছয়টি রাজ্যে সরকারি হিসেবে ২৩,৫০৫টি খামারে নাড়া পোড়ানোর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও বেসরকারি মতে নাড়া পোড়ানোর ঘটনা এর থেকে অনেক বেশি। শুধু এই রাজ্যগুলিতে নয় সারা দেশে, যেখানে কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর মেশিন ধান কাটার জন্য ব্যবহার হচ্ছে, সেখানেই নাড়া পোড়ানোর ঘটনা বাড়ছে। আমাদের রাজ্যেও ধানের নাড়া পোড়ানোর ঘটনায় পিছিয়ে নেই। এরজন্য একদিকে যেমন মাটির মধ্যে বসবাসকারী পোকামাকড়, অণুজীব মরছে অন্যদিকে তেমনই মাটির মধ্যে থাকা জল হাওয়া বেরিয়ে তাকে নির্জীব, শক্ত করে তুলছে। এতো গেল কৃষি এবং কৃষকের  সমস্যা। নাড়া পোড়ানোর ফলে বিষাক্ত ধোঁয়া দিল্লিসহ সমগ্র উত্তর ভারতে পরিবেশ এবং  স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। দুষণ-ধোঁয়াশায় অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস অবধি স্তব্ধ হয়ে পড়ছে জনজীবন। ক্ষতি হচ্ছে দেশের অর্থনীতির।

 আজ আমাদের নাড়া পোড়া

শুধু পাঞ্জাবেই ধানের খামারগুলিতে অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে প্রায় ৭০-৮০ লক্ষ মেট্রিক টন নাড়া পোড়ানো হয়। এর সঙ্গে হরিয়ানা এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ যেখানে মূলত সবুজ বিপ্লব শুরু হয়েছিল – সেসব জায়গার হিসেব ধরলে তা ১ কোটি ৫০ লক্ষ মেট্রিক টনের কাছাকাছি পৌঁছবে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যতটা জায়গা জুড়ে এক মেট্রিক টন নাড়া থাকে ততটা জায়গার নাড়াসহ মাটি পোড়ালে তার থেকে ৫.৫ কেজি নাইট্রোজেন, ২.৩ কেজি ফসফরাস, ২৫ কেজি পটাশিয়াম, ১.২ কেজি সালফার বাতাসে মেশে। ওই একই এলাকা জুড়ে প্রতি টন খড় পোড়ালে বাতাসে মেশে ২ কেজি সালফার ডাই-অক্সাইড, ৩ কেজি সুক্ষ্ম কণা (পার্টিকুলেট ম্যাটার), ৬০ কেজি কার্বন মনোক্সাইড, ১৪৬০ কেজি কার্বন ডাই অক্সাইড এবং ১৯৯ কেজি ছাই। এর সঙ্গে তৈরি হয় মিথেন, ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন, উদ্বায়ী জৈব যৌগের মতো ক্ষতিকারক গ্যাস। এছাড়া নাড়া পোড়ানোর ফলে নাইট্রোজেন-সহ ১৭টি মৌল বাতাসে মিশে বিষাক্ত গ্যাসে পরিণত হয়, যা ফুসফুসের সমস্যা তৈরি করে। মাটিতে সাধারণত ছয় থেকে নয় ইঞ্চি গভীর পর্যন্ত বিভিন্ন অণুজীব, এবং বিভিন্ন ছোট ছোট প্রাণী থাকে। থাকে নানা উদ্ভিদ। নাড়া পোড়ালে তাদের জীবন বিপন্ন হয়। অনেক অণুজীব এবং পোকা-মাকড় মারা পড়ে। ফলে মাটি উর্বরতা হারায়। পরবর্তী কৃষিকাজেও সমস্যা দেখা দেয়।

 

যন্ত্রের যন্ত্রণা

৯০ দশকের গোড়ার দিক থেকে কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর মেশিন ব্যবহার শুরু হয় পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং পশ্চিম উত্তর প্রদেশে। শুরুতে কম ব্যবহার হলেও, বর্তমান শতকের গোড়ার দিকে তা প্রায় ৮০ শতাংশ ধান ক্ষেতে ব্যবহার হতে শুরু করে। আমাদের এ রাজ্যে কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর দিয়ে চাষ শুরু হয় ২০০৪ সালের পর থেকে, যদিও এখনও অবধি মোট ধান জমির প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে এই মেশিন ব্যবহার করা হয়। কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর মেশিনের দ্রুত জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণ হল শ্রমের খরচ কমানো। যদিও সাফাই দেওয়া হয় যে, চাষে খেত মজুরের অভাব এবং তার ফলে মজুরি বৃদ্ধির জন্যই নাকি এই মেশিন ব্যবহার শুরু হয়। হাত দিয়ে ধান কাটার সময় নাড়ার উচ্চতা খুবই কম রাখা হত। ফলে পরের চাষে জমি চষার সময় কোনো সমস্যা হত না। কিন্তু হার্ভেস্টর মেশিন ব্যবহার করলে জমিতে নাড়া রয়ে যায় কমবেশি ৬ ইঞ্চি থেকে দেড় ফুট। যদিও জমির ওপর নির্ভর করে নাড়া কাটার ছুরি কতটা নিচে রাখা হবে। কারণ মেশিনের ছুরি, জমির সঙ্গে বারবার ধাক্কা খেলে তা ভেঙে যেতে পারে। ফলে সহজ উপায় হিসেবে এই মেশিনের চালকেরা ছুরি জমির থেকে বেশ খানিকটা ওপরে রাখে। এজন্যই নাড়ার পরিমাণ লম্বা হয়। দেখা গেছে, নাড়া জমিতে রেখে দিলে প্রায় দেড় থেকে দু মাস লেগে যায় মাটিতে মিশতে। কিন্তু চাষির হাতে তো সেই সময় নেই। ধান কাটার পর তাকে পরের ফসল চাষ করার জন্য জমি তৈরি করতে হয়। তাই সহজ উপায় - নাড়া পুড়িয়ে দাও। এমনিতেই বিষের চাষ করতে গিয়ে জমি প্রায় মরে গেছে। চাষ করতে গেলে রাসায়নিক সার বিষ ছাড়া উপায় নেই । তাই মাটির কথা ভেবে কী লাভ। দাও পুড়িয়ে।    

দূষণ দূষণ

একদিন দিল্লিবাসী ঘুম থেকে উঠে দেখলেন তাঁদের ঘরদোর ধোঁয়াশায় ভর্তি। ধোঁয়ার দুষণে অফিস-কাছারি, স্কুল-কলেজ সব বন্ধ করে দিতে হচ্ছে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর প্রায় তিন মাস। শ্বাসকষ্টে হাসপাতলে রোগী বেড়ে যাচ্ছে। নাড়ার ধোঁয়ায় প্রতিদিন নটা সিগারেট খাওয়ার সমান ক্ষতি হচ্ছে ফুসফুসের। রাস্তায় গাড়ি দুর্ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। ট্রেন, হাওয়াই জাহাজের উড়ান থেমে যাচ্ছে।জরিমানার বিধানও হলো। কিন্তু কৃষকরা দাবী করলেন বিকল্প ব্যবস্থার।     

আরো যন্ত্র

২০১৮-১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি মন্ত্রক নিয়ে এল ক্রপ রেসিডিউ ম্যানেজমেন্ট স্কিম। এর মাধ্যমে নাড়া তোলার মেশিন, ডিকম্পোজার ইত্যাদি ব্যবহারে জোর দেওয়া হল। জমি থেকে দূরে বাণিজ্যিকভাবে ধানের খড় থেকে বিদ্যুৎ, জৈব সার তৈরির জন্য কারখানা তৈরির কথা বলা হল। দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ সহ উত্তর ভারতের যেসব রাজ্যে নাড়া পোড়ানোর জন্য পরিবেশ দূষণের সমস্যা দেখা দেয়, তা সমাধান করার জন্য হাজির হল আরো যন্ত্র।সরকার বলল, শস্যের অবশেষ জ্বালানিতে পরিণত করার, প্রয়োজনীয় যন্ত্র কেনার জন্য সর্বোচ্চ ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। এই কাজে যেসব যন্ত্র প্রতি ঘণ্টায় ১ টন জ্বালানি উৎপাদন করতে পারবে, সেগুলি কেনার জন্য ২৮ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রক ২০২০-২১ অর্থবর্ষে এইসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৫০ কোটি টাকার তহবিল তৈরি করল। এই মন্ত্রকের  মধ্যেই ইথানল উৎপাদনের জন্য ১৯০টি সংস্থাকে পরিবেশগত ছাড়পত্র দিল। তাদের বলা হল নাড়া ব্যবহার করে ইথানল তৈরি করতে। হরিয়ানার পানিপথে তৈরি করা হল ফসলের অবশেষ থেকে ইথানল তৈরির কারখানা। পরিবেশ মন্ত্রক বলল, কারখানাটি থেকে প্রতি বছর প্রায় ২ লক্ষ মেট্রিক টন জ্বালানি উৎপন্ন হবে। এতসব করার পর দূষণ কী কমল? সহজ উত্তর না।   

 

বিকল্প প্রযুক্তি 

একই সঙ্গে বিভিন্ন বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারে সরকার উদ্যোগ নিতে শুরু করল। 

হ্যাপি সিডারঃ ট্র্যাক্টর-চালিত একটি যন্ত্র যা ধানের খড় কেটে সরাসরি ধানক্ষেতে গম বপন করে। ফলে খড় পোড়ানোর প্রয়োজন হয় না। চাষি মনে করলে, সেই খড়কে পরে ফসলের আচ্ছাদন বা মালচ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এই মেশিন সময় বাঁচায়। খরচ কমায়। আর মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করে। 

পুসা ডিকম্পোজার  ব্যবহার করে নাড়া পচিয়ে সারঃ এটি একটি জীবাণু সমৃদ্ধ সামগ্রী যা জমিতে পড়ে থাকা নাড়াকে ২৫ দিনের মধ্যে পচিয়ে সার তৈরি করে। এতে  মাটির উর্বরতা বাড়ে। আর নাড়া পোড়ানো বন্ধ হয়।  

নাড়ার শক্ত মন্ড তৈরি - পেলেটাইজেশন: নাড়াগুলিকে কেটে মেশিনের চাপ দিয়ে ছোট ছোট শক্ত মন্ড তৈরি এবং তা থেকে পরে নানা সামগ্রী তৈরি।

বায়োচার উৎপাদনঃ বায়োচার হল, এক ধরনের কাঠকয়লার মতো পদার্থ, যা কাঠ, নাড়া  উদ্ভিদের অবশেষ, পশুর বর্জ্যকে অক্সিজেন ছাড়া উচ্চ তাপে (পাইরোলাইসিস প্রক্রিয়ায়) গরম করে তৈরি করা হয়। বায়োচার মাটি, জল শোধন এবং কার্বন-সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এর ছিদ্রযুক্ত গঠন জল ও পুষ্টি ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং মাটির উর্বরতা বাড়ায়। 

 

জন উদ্যোগ - ছত্তিশগড়ের গৌথান

গৌথান হলো প্রতিটি গ্রামের জন্য নির্ধারিত পাঁচ একরের জমি। সেখানে চাষিরা তাদের জমির নাড়া দান করে। গ্রামের যুবরা এই নাড়াকে জৈব সারে পরিণত করে। সে সার আবার দাম দিয়ে চাষি কিনে নেয়। এভাবে গ্রামের উৎসাহী কিছু যুবকের কর্মসংস্থান হয়। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকার কেবল খামার থেকে গৌথানে নাড়া নিয়ে যাওয়ার খরচ দেয়। বর্তমানে রাজ্যটিতে সফলভাবে ২০০০টি গৌথান চলছে। গৌথান একটা গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। সব রাজ্যে গৌথানের মতো জন উদ্যোগ প্রকল্প তৈরির জন্য রাজ্য সরকারগুলির এগিয়ে আসা দরকার। উচ্চমানের কম্পোস্ট তৈরির জন্য এই প্রকল্পের অধীনে গোবর এবং কিছু প্রাকৃতিক উৎসেচকের সঙ্গে নাড়া মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রত্যেক এলাকায় এমন কিছু দেশি ধানের জাত রয়েছে যাদের উৎপাদনের পরিমাণ বর্তমানের হাইব্রিড এবং উচ্চ ফলনশীল ধানের প্রায় সমান। সেই সব দেশি জাতের ধান চাষে উৎসাহ দেওয়া দরকার। আর দেশি ধানের খড়ের নানান পারম্পরিক এবং অর্থকরী ব্যবহার রয়েছে। এতে নাড়া পোড়ানো বন্ধ করা যেতে পারে। যে সব ধান কম সময়ে হয় অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় কেটে নেওয়া যায়, সেগুলির চাষ প্রসারের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আইসিএআর-এর কৃষিবিদেরা বলছেন। তাঁদের মতে, এতে পরবর্তী ফসলের জন্য একটু বেশি সময় পাওয়া যেতে পারে। সেই সময়ে বায়ো-ডিকম্পোজার দিয়ে নাড়া পচিয়ে জমিতেই সার তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে।  কিছু অর্থনীতিবিদদের মতে, নূন্যতম সহায়ক মুল্যের কারণে দেশের প্রয়োজন এবং বাফার স্টকের তুলনায় অনেক বেশি জমিতে ধানের চাষ হয়। সেক্ষেত্রে কিছু জমিতে (বিশেষ করে পাঞ্জাব, হরিয়ানা পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে) ধানের বদলে অন্য অর্থকরী ফসলের চাষ করা যায়।

 

এবার পশ্চিমবঙ্গ

আমাদের রাজ্যে জোতের আয়তন যেহেতু কম এবং সব জমিতেই আল রয়েছে, সেই কারণে হার্ভেস্টর মেশিনের ব্যবহার কম। কিন্তু ধীরে হলেও এর ব্যবহার বাড়ছে। এ নিয়ে সরকারি তথ্য বিশেষ কিছু নেই। তবে বেসরকারি মতে যে সব জেলায় ধানের চাষ বেশি - যেমন বর্ধমান, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ইত্যাদি এবং যেখানে বোরো ধান চাষ হয় সেই সব জেলায়, ক্ষেত্র বিশেষে ১৫-৩০ শতাংশ জমিতে হার্ভেস্টরের মাধ্যমে ধান কাটা হয়। নাড়াও পোড়ানো হয়।এই প্রবণতা এখন দ্রুত গতিতে বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন, নারায়ণগড়, চন্দ্রকোনা, দাসপুর এলাকায় নাড়া পোড়ানোকে ঘিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি পিংলায় নাড়াতে লাগানো আগুন থেকে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অনুমান করা হয়, বেশ কয়েকশো বিঘা জমিতে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। শুধু তাই নয়, মাঠে শুকোতে দেওয়া ধানও নাড়ার আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

সরকারি বিধিনিষেধ ও জরিমানাঃ  সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে চাষের জমিতে নাড়া পোড়নো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সালে নাড়া পোড়ানোর জন্য জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে। নতুন নিয়মে নাড়া পোড়ালে দু’একরের কম জমির মালিককে ৫ হাজার টাকা, ২ থেকে ৫ একরের জমির মালিককে ১০ হাজার টাকা এবং ৫ একরের বেশি জমির মালিককে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার সংস্থান রাখা হয়েছে। এছাড়া এই বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, নাড়া পোড়ানোর সাথে যুক্ত চাষিদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা (যেমন ন্যূনতম সহায়ক মূল্য) না দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কৃষি রেকর্ডে 'রেড এন্ট্রি' করার ব্যবস্থা শুরু হয়েছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা কী হতে পারে তা নিয়ে খুব সামান্যই উদ্যোগ রয়েছে। কেন্দ্র এবং অন্যান্য রাজ্য সরকারের মতোই সমাধান হিসেবে একই কথা বলছে রাজ্য সরকার এবং কৃষিবিদেরা।

 

শেষ থেকে শুরু

শস্যের ধরন, সীমিত বিকল্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভারতে নাড়া পোড়ানো একটি পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জ। এর মোকাবিলার জন্য একটি বহুমুখী কার্যক্রমের পরিকল্পনা এবং তার প্রয়োগ দরকার। দরকার জন উদ্যোগ। যেখানে সমস্যাকে সমাধানে রূপান্তরিত করা সম্ভব হবে সার্বিকভাবে, সবার উদ্যোগে, যেমনটা হয়েছে ছত্তিশগড়ের গৌথান প্রকল্পে।

(AHEAD Initiatives-এর পক্ষে লিখলেন শ্রী সুব্রত কুণ্ডু)


Comments

Popular posts from this blog

As the flowing river unfolds